‘‘কবিতা ও স্কেচ”
___মহাদেব সাহা
তুমি দরজা নাও খুলতে পারো
আমি কি পাখি যে সারারাত ভাঙ্গাগলায় তোমাকে
ডাকতে পারবো,
আমি কি নদীর ঢেউ যে আছড়ে পড়তে পারবো
তোমার দুয়ারে এসে,
এমন কি কেউ যে অবিরাম করাঘাত করতে করতে
চেনা কণ্ঠে বলতে পারবো,
দরজা খোলো;
আমি তেমন কেউ নই,
নদীর ঢেউ নই,
রাতের পাখি নই,
পুরনো প্রেমিক নই
যার মৃদু করাঘাতে বিশ্বস্ত ডাকে তুমি তৎক্ষণাৎ
দরজা খুলে দেবে।
আমি জলের স্রোতের মতো, বাতাসের
কাঁপা কণ্ঠস্বরের মতো
অস্থির শিশিরবিন্দুর মতো নিঃশব্দে তোমার
পায়ে ঝরে পড়ি
সেই জল কখনো তোমার চোখে পড়ে, কখনো পড়ে না;
এই সামান্য সঞ্চয় নিয়ে আমি তোমার কাছে খুব
বেশি কী চাইতে পারি?
তুমি ডাক শুনতে পারো, নাও পারো
ফিরে তাকাতে পারো, নাও পারো,
তখনই দরজা খুলে আমাকে অভ্যর্থনা জানাবে
সেতো আশাই করি না।
‘‘কবিতা ও স্কেচ”___মহাদেব সাহা
তুমি দরজা নাও খুলতে পারো
আমি কি পাখি যে সারারাত ভাঙ্গাগলায় তোমাকে
ডাকতে পারবো,
আমি কি নদীর ঢেউ যে আছড়ে পড়তে পারবো
তোমার দুয়ারে এসে,
এমন কি কেউ যে অবিরাম করাঘাত করতে করতে
চেনা কণ্ঠে বলতে পারবো,
দরজা খোলো;
আমি তেমন কেউ নই,
নদীর ঢেউ নই,
রাতের পাখি নই,
পুরনো প্রেমিক নই
যার মৃদু করাঘাতে বিশ্বস্ত ডাকে তুমি তৎক্ষণাৎ
দরজা খুলে দেবে।
আমি জলের স্রোতের মতো, বাতাসের
কাঁপা কণ্ঠস্বরের মতো
অস্থির শিশিরবিন্দুর মতো নিঃশব্দে তোমার
পায়ে ঝরে পড়ি
সেই জল কখনো তোমার চোখে পড়ে, কখনো পড়ে না;
এই সামান্য সঞ্চয় নিয়ে আমি তোমার কাছে খুব
বেশি কী চাইতে পারি?
তুমি ডাক শুনতে পারো, নাও পারো
ফিরে তাকাতে পারো, নাও পারো,
তখনই দরজা খুলে আমাকে অভ্যর্থনা জানাবে
সেতো আশাই করি না।










![Photo: (পোষ্ট ৪৪৫)
" কৃত্তিবাস "
-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ছিলে কৈশোর যৌবনের সঙ্গী, কত সকাল,
কত মধ্যরাত,
সমস্ত হল্লার মধ্যে ছিল সুতো বাঁধা,
সংবাদপত্রের খুচরো গদ্য
আর প্রইভেট টিউশানির টাকার অর্ঘ্য
দিয়েছি তোমাকে, দিয়েছি ঘাম,
ঘোরঘুরি, ব্লক, বিজ্ঞাপন, নবীন কবির
কম্পিত বুক, ছেঁড়া পাঞ্জাবি
ও পাজামা পরে কলেজপালানো দুপুর,
মনে আছে মোহনবাগান
লেনের টিনের চালের ছাপাখানায়
প্রুফ নিয়ে বসে থাকা ঘন্টার পর
ঘন্টা, প্রেসের মালিক কলতেন,
খোকা ভাই, অত চার্মিনার খেও না,
গা দিয়ে মড়া পোড়ার গন্ধ বেরোয়, তখন
আমরা প্রায়ই যেতাম
শ্মশানে, শরতের কৌতুক ও শক্তির
দুর্দান্তপনা, সন্দীপনের চোখ মচকানো,
এর কী দুরন্ত নাচ
সমরেন্দ্র, তারাপদ আর উৎপলের
লুকোচুরি, খোলা হাস্য
জমে উঠেছিল এক নদীর কিনারে,
ছিটকে উঠেছিল জল, আকাশ
ছেয়েছিল লাল রঙের ধুলোয়, টলমল
করে উঠেছিল দশ দিগন্ত, তারপর
আমরা ব্যক্তিগত জাতীয় সঙ্গীত
গাইতে-গাইতে বাতাস সাঁতরে চলে
গেলাম নিরুদ্দেশে।
[কাব্যগ্রন্থ » দেখা হলো ভালোবাসা বেদনায়]](https://fbcdn-sphotos-f-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/c51.0.403.403/p403x403/483639_445114302209619_81539456_n.jpg)























